সনচরি | Sanchari

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
আনন্দে ধরমিয়া সনচরিকে সিঁদুর পরাতে গিয়ে হাতটা সরিয়ে নিয়েছে। থমকে দীড়িয়েছে। সনচরি হেসে উঠে বলেছে, দিতে এসে ফিরিয়ে দেয়াটা ভালো নয়। এখনই পুকুরে নামব সাঁতার কাটতে | ধুয়ে ফেললেই চলবে। দিলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না। এত সংকোচ কেন? সনচবি ধবমিয়াকে টানতে টানতে পুকুরের পাড় বেয়ে জলে নেমেছে। পাড়ে দাঁড়িয়ে মেয়েরা হাততালি দিচ্ছে | দুজনেব কি সাঁতার কাটার ধুম। ওবা দশ বছর বয়েসে নেমে এসেছে। একজন এগোচ্ছে, আর একজন পেছছচ্ছে। আবার PASTA জন এগোচ্ছে, প্রথম জন পেছছচ্ছে। জলে হাত পড়ছে ছলাৎ ছলাৎ। জলের ফোয়াবা ছিটকোচ্ছে পাড়েব মেয়েদেব গায়ে। মেয়েদের মধ্যে হাসাহাসি। ঢলাঢলি। গলাগলি। সাতার কাটতে কাটতে দু জনে গলা মিলিয়ে প্রাণ খুলে গাইছে-_ না ছেড় গালি OTF ভর নে দে গাগরি সব aR নিকলি ঘরসে ম্যায় শাশ ননদ কি ডরসে তেরে বংশী ছিনু লুঙ্গি... ছেলেবেলা থেকে বন্ধুত্ব দুজনেরই | ফিরে এসেছে আবার। পাড়ে উঠেছে ওরা | সনচরির দিকে ধরমিয়া এক একবার তাকাচ্ছে আর দীর্ঘথনিশ্বাস ফেলছে। সনচঢরি ধরমিয়ার বুকে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেছে, তুই কি ভয় পাচ্ছিস! আমি ঠিক দড়ির এপার থেকে ওপার অবধি চলে যাব। চাপা গলায় আস্তে আস্তে সনচরির ডান হাতটা ধরে দোলাতে দোলাতে বলেছে ধরমিয়া, আজ না-ই বা দেখালি দড়ির খেলাটা | কেমন করে হয় বল! এত লোক আশা করে দাঁড়িয়ে আছে খেলা দেখবে বলে। তাছাড়া কথা দেয়াও হয়ে গেছে। দড়িটা Seve হয়ে গেছে এ তালগাছ থেকে ও তালগাছ অবধি। ধরমিয়ার মুখ দিয়ে আর কোনো কথাই বেরয় নি। ছলছলে দু চোখে আকাশের দিকে তাকিয়েছে কেবল। প্রার্থনা কি? 29



Leave a Comment