শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসংগ্রহ [খণ্ড-৩] | Shirshendu Mukhopadhyayer Galpo Sangraha [Vol. 3]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
বিধবার দশ! কেন! সেই উনে খুব হালছিল মাছঘটি। বেঁচে মাকতে একটা ছাড়জালামেো! cate বনত প্রায়ই--“সেই বিধবা হলি আমি থাকতে হলি মা ।” দেখলাম জানালার ফাছে দাড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বিড়বিড় করে সেই প্নোকটাই বলছে। এই দেখতে না-দেখতেই ঘুম ভেঙে গেল | ওমা, কোথায় বৃষ্টি। আর কোথায়ই বা সেই area! টিনের চালই বা কোথায়, কোথায়ই বা সেই করমচার the । মরা মানুষের স্বপ্ন দেখা ভাল না। তবু আমি প্রায়ই ফেখি। তাঁর মরার পর বারো বছর হয়ে গল | ধর্মকর্মের দিকে ঝোঁক ছিল খুব । বলত-_'ষদি unter থাকে- বুঝলে, তবে আমি বতুর ছেলে হয়ে আসব।” বোধ হয় সেইজন্কেই এখনো পৃথিবীতে জন্মায়নি মাছযটা। আত্মাটা আমাদের কাছাকাছি ঘুরঘুর করে। ceed যায় তার আসার রাস্তা কতদূর তৈরী হল। YA ভেঙে উঠে বসে চুলের জট ছাড়াচ্ছিলাম। কর্তার AT CHCA মনটা খারাপ হয়ে গেল । ওদ্বের তো বাড়িঘর নেই, আকাশে বাতামে ঘুরে বেড়ানো। হয়তো শীতে বৃষ্টিতে বড় ক পেতে হয়। ওম পাওয়ার we আমাদের কাছে চলে আসেন। ইচ্ছে বরে ক্য়েকজন ব্রাহ্মণ ডেকে ছাতা আর কম্বল দান করি। অনেক টাকার afe: মাঝরাতে বসে কত কথা ভাবছিলাম। eff বাইরে কাক ডাকছে। রাতে কাক ডাকা ভাল aT হয়তো CHIN ফুটেছে MT তবু বড় বুক কাপে। মঙ্গলের কোনো চিহ্ন তো দেখি aii টের পেলাম ay তার বিছানায় পাশ ফিরল । আগে এক কাতের ঘুম ছিল ওর। ভোরবেলা তুলে দিতে গেলে ময়দার Fata মতো বিছানার সঙ্গে লেগে থাকত। বাঁচ্চ! বেলার মতো খুঁতখুত করে বলত-_আর একটু মা, আর একটু | ডান কাতের ঘুম হল, এবার বা কাতে একটু ঘুমোতে eel পাঁচ মিনিট। কষ্ট হত তুলতে । তবুচাঞ্চরি উন্নতি এসব ভেবে মায় করতাম না। তুলে ছিতাম। যখন চা করে রুটি তরকারি খেতে দিতাম SUA দেখতাম, ওর ছু' চোখে রাজ্যের YT লেগে আছে। আর, এখন কয়েক দিন হল রাতে ওর পাশ ফেরার শব্ধ পাই। সারা রাত কেবলই পাশ ফেরে। ঘুম হয় ল| বোধ হয়। ও এখন জামিনে খালাস আছে। পরশু দ্বিনও পুলিসের লোক এসে বলে গেল-_ও যেন বাড়িতে থাকে, কোথাও মা বায়। কারখানার ব্যাপারটা আমি একটু একটু জানি। বেশী জানতে তয় করে। তবু একদিন সাহস ক্রে জিজ্ঞেস করেছিলাম--'“তোরা কি খিতবি?” ও ঠোট etia ৷ বুধি অবস্থা ভাল ay) বললাম-'কি হরকার ওসব হাজামা করে! মিটিয়ে»



Leave a Comment