এই যুবকেরা | Ei Jubakera

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
TAT বলল, “AV wi করেছে তো আমি কী করব 1”জোছন বলল, “যাহা বিঃ তাহা ব্রহ্মা: একই ফ্যামিলি |” বলে হাসল। শতদল বলল, “তুই আগে থেকেই টুকছিস। একবার যেতে দোষ কী |” “না দোষের কিছু নেই, যা গিয়ে দেখ ।'* “তবে আজ আর তাকে পাবি কোথায় | দশটা বাজতে চলল |”“আজ হবে না আর | কাল।..--মৃগু, তুই যদি সকাল সকাল না আসিস, ইবে নাজোছন উঠে পড়ল। বলল, “আমি চলি রে! সন্ধেবেল| দেখা হবে ।” চলে গেল জোছন। সে বেশ মজার চাকরি করে। ম্যালেরিয়| কনট্রোল অফিসে | দশটা বারোটা যে-কোনো সময় একবার গেলেই হল।শতদল হাই তুলল ৷ আড়মোড় ভাঙল | বলল, “চা খাবি না ?”মাথা হেলাল শতদল | খাবে |“দাড়া বলে আসি 1”“বাড়িতে কেন, দোকানে চল ।”“দোকানে! দাড়া তা হলে একটু বাথরুম ঘুরে আসছি 1”শতদল ভেতরে চলে গেল |TAT বসে বসে শতদলের ঘর দেখতে লাগল। অন্যমনস্কভাবেই | নতুন করে দেখার কিছু নেই। নিত্যকার চেনা ঘর। জানলা দরজা খাট বিছানা] টেবিল কাঠের আলমারি | তবু এরই মধ্যে শতদলের পারিবারিক সচ্ছলতা ধরা যায়। শতদলের বাবা ডাক্তার | ভাল ডাক্তার | পশার আছে। বাজারের কাছে ডিসপেনসারি | শীতলকাকার টাকার খাই নেই, মানুষটও ভাল, কিন্তু কেমন যেন খেপাটে | খেয়াল হলে রোগীর বাড়ি গিয়ে বসে থাকবেন ছু ঘণ্টা, আবার মেজাজ খারাপ থাকলে ডিসপেনসারি থেকে রোগী তাড়িয়ে দেবেন | এ-সবের ay কিছু gate আছে। বাড়িতে বেশ অশাস্তি। কাকাবাবুর সঙ্গে কাকিমার বনে না। শতোর মা নেই | শতোর মা কাকা- বাবুর প্রথম পক্ষের স্ত্রী ছিলেন | তিনি মারা গিয়েছেন অনেককাল, শতোর যখন চার পাঁচ বছর বয়েস | কাকাবাবু আবার বিয়ে করেন--এই কাকিমা১৮



Leave a Comment