সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ভাগ-১৮] | Sahitya-Parishat-Patrika [Pt. 18]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
' ব্যাকরণের afkএকজন লোক নিজের রচনায়, কেমন করিয়া শব্যগুলিকে সন্ধির বন্ধনে বাধিয়া লইবে, ইহার শিক্ষার জন্য ব্যাকরণ নয়। যে সকল রচনায় সন্ধি-বন্ধন আছে, সেখানে কি উপায়ে পদবিচ্ছেদ করিয়া মূল শব্দগুলিকে চিনিয়া লইয়া অর্থ করিতে হইবে, তাহার শিক্ষার জন্যই ব্যাকরণের সুত্র। ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হইতেই তাহা স্চিত হয়। ব্যাকরণে ব্যুৎপত্তির জ্ঞান হয়,-_বিশ্লেষণপ্রণালীর শিক্ষা হয়। পদে পদে মন্ধি যোগ না করিয়া যদি কেহ সংস্কৃত 19 রচনা করেন, তবে তাহার রচনাকে কেহ catyye বলিতে পারেন aii ব্যাকরণে এমন Za ate যে, সন্ধিযোগ না রাখিলে aval অশ্তদ্ধ হইবে । শব্দের রূপ বা ধাতৃর রূপ, স্বতন্ত্র কথা। যে রূপ ধারণ করিলে শব্দের যে অর্থ হয়, কিন্বা ক্রিয়াপদে যে কাল বুঝায়, তাহা হইল ভাষার মূল কথা ; তাহা না মানিলে কোন পদের বা কোন শব্দের অর্থ ই হয় না। সন্ধি যোগ করা বা না করা, লেখকের সুবিধার কথা। যেখানে সন্ধি যোগ হয়, সেখানে যে তাহা করিতেই হইবে, এটা হইল অর্বাচীন যুগের সংস্কৃত রচনার একটা অস্বাভাবিক পদ্ধতি | মানুষের প্রতিদিনের, কথা কহিবার ভাষায় সন্ধিবন্ধনের কড়া নিয়ম থাকিতে পারে না; স্বাতাবিক উচ্চারণের স্বিধায় যতটুকু সন্ধির বাধন “for যায়, ততটুকুই থাকে । বাঙ্গালায় আমরা “ফলাফল” “হিতাহিত” প্রভৃতি যেমন বলি, বৈদিক ভাষা বা ছান্দসেও তাহাই দেখিতে পাই। যখন সন্ধিবাধনের sol নিয়মের যুগে বৈদিক খকৃ্‌গুলির পদে পদে সন্ধিযোগ কিয় পু'থি লেখা চলিতেছিল, তখন “পদপাঠের” wie) সন্ধি করিলে বৈদিক ছন্দ এবং সুর নষ্ট হইয়া যায় বলিয়া, “পদপাঠে” যেখানে সন্ধি নাই, মূলতঃ সেখানে সন্ধি ছিল না বলিয়া বুঝিতে হইবে । অনেক স্থলে যে সন্ধি করিতে গেলে অক্ষর কমিয়া গিয়া ছন্দঃপতন হয়, তাহার অনেক দৃষ্টান্ত আছে। বৈদিক খক্‌গুলির কেবলমাত্র পদপাঠ দেখিলেই সকলে উহা বুঝিতে পারিবেন । সুবিখ্যাত বৈদিক পণ্ডিত Age সত্যব্রত সামশ্রমী মহাশয় ইহা স্বীকার করেন; পরলোকগত পণ্ডিত শঙ্কর পাুরঙ্গ একথার সমর্থন করিয়াছিলেন | ছান্যস হইতেই সংস্কৃত ভাষার উৎপত্তি; কিন্তু এই ভাষা থৃষ্টাব্ের প্রথম শতাব্দীর পূর্বে “মংস্কৃত* নাম পাঁয় নাই । মহাভারতসংহিতায় “সংস্কৃত” শব্দ ভাষা অর্থে পাওয়া যায় না; ১১৪০ খৃঃ পূর্বের মহাভায্যেও সংস্কৃত ভাষাটি লৌকিক ভাষা নামে আখ্যাত। Ta হইতে ভাষার নাম “Ags” দেখিতে পাওয়া যায়, তখন হইতেই উহাতে জটিল রচনার পরিচয় পাওয়া যায়। সন্ধির ঘটা, সমাদের বাহুল্য প্রভৃতি ত আছেই; তা ছাড়া অনেক wae এমন ভয়ঙ্কর দুরম্বয্ন যে, অনেক টানিয়া হেঁচ্ড়াইরা পদে পদে যোগ করিয়া অর্থ কর্গিতে en) ইহাতেই বুঝিতে পার যায় যে, সংস্কৃত কেবল একটা সাহিত্যের ভাষা



Leave a Comment