নন্দনতত্ত্ব | Nandatatwa

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ললিতকলা ও দশন ৫ধরনের অহশাসনই প্রয়োগ করুক না৷ কেন, নৈতিক অথব! সংজীবনের বিশ্লেষণ এবং বিবেচনাই তার উপজীব্য । নৈতিক জীবন, সংজীবন হল ইহলোকের জীবনধারার ভবিষ্যতের কার্যস্থটী মাত্র; অবশ্য তা পরলোককেও cofes করতে পারে। জীবন যাত্রা নির্বাহের aw নীতিসম্মত সংজীবনের ধারণার প্রয়োজন; এই ধারণাটুকু আমাদের was ও অসৎ জীবনচর্য৷ থেকে মুক্তি দেয়? কল্যাণের স্পর্শে আমরা ধন্য হই। ইহুজীবনে zi লাভ করি; পরজীবনে মোক্ষের প্রত্যাশা রাখি। মার্কামারা স্থথবাদীদের কথা ছেড়ে দ্বিলে এ তত্ব সর্বতোভাবে স্বীকার্য যে কল্যাণের ধারণাটুকু সবতোভাবে ভবিষ্যৎ জীবনকে আশ্রয় করে আছে; এই ক্ষণস্থায়ী ভবিষ্যৎ কালের অঙ্গীকারটুকু ' সম্বন্ধে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ আছে। অধিকাংশ দর্শনমতকেই স্মখবাদীদের বিরুদ্ধে স্টোয়িক মতবাদ প্রভাবিত করেছে; সখান্বেষণ নয়, কর্তব্য-পালনই হ'ল মানুষের প্রধান করণীয় ও নৈতিক জীবনের উদ্দেশ্য। সমাগত বর্তমানের পরিবর্তে দূরাশ্রয়ী ভবিষ্যৎ, এই মুহূর্তের দাবীর চেয়ে অতীতের সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি-নীতি এই-কর্তব্যের স্বরূপটুকু নির্ণয় করেছে।শিল্প উদাহরণের সাহায্যে অথবা ভাবে ভঙ্গীতে এই Cys আমাদের শিখিয়েছে যে জীবনের প্রাপ্যবস্তটুকু বর্তমান কলাশ্রয়ী। এই প্রাপ্তি সম্ভব হয় ইন্তসিয়জ আনন্দের পাদ Aes, আমাদের মনের আবেগ-মুক্তিতে। মুহূর্তের আনন্দকে চিরায়ত করার নামই হল শিল্প ; শিল্পের আনন্দটুকুই শিল্পস্ষ্টির উদ্দেশ্য, তা সে আনন্দ যত WHS হোক না কেন; শিল্পে এই আনন্দের তূমিকাটুকু এতোই গুরুত্বপূর্ণ যে দার্শনিক সামস্তায়ন শিল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বললেন-_ শিল্প হল আনন্দের মুতিমান বিগ্রহ। জগতে আমাদের দায়িত্ব অনেক, অনেক কর্তব্য সমাধানের গুরুভার আমাদের see ; তাই শিল্প আমাদের জীবনের ক্ষণিক পলায়মান যুহূর্তগুলিকে সর্বোচ্চ ate দানে প্রয়াসী হয়; এই মর্যাদা দানটুকুর কোন আত্যস্তিক উদ্দেশ্য নেই। তাই এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই যে নীতিবিদ্ব শিল্পকর্মকে অগ্রয়োজনীয় মনে করেন, শিল্পের আনন্দকে চিত্তবিক্ষেপ বলে ভাবেন এবং শিল্প-রমণীয়তা থেকে জাত স্ুখবোধকে কর্তব্য থেকে বিচ্যুতি বলে গণ্য করেন। Walter Peter এই প্রসঙ্গে 'লিখেছিলেন যে অভিজ্ঞতার ফলশ্রুতি নয়, অভিজ্ঞতাটুকুই লক্ষ্য ৷নীতিশাস্ত্রের ভ্রাক্ষাক্‌ঞ্জে যে কর্মাটি আগ্রহ সহকারে কাজ করেছেন তিনি ফল আশা করেন। কিন্তু মন্গয্যকর্মের একটি মুল্যবান Preface খেয়ালী



Leave a Comment