ভারতীয় মহাবিদ্রোহ ১৮৫৭ | Bharatiya Mahabidraha 1857

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
স্পষ্ট হয়ে উঠল, সাম্রাজ্যবাদী নিষ্ঠুরতা মরিয়৷ হয়ে একেবারে নারকীয় রূপে দেখা দিল-_আর সেই অভূতপূর্ব ঘটনার কদর্থ করব, জাতির মনে তার ais জ্বল্জল্‌ করছে-_তাকে মলিন sara চেষ্টায় নামব, ‘ae প্রতিক্রিয়া প্রভৃতি বুলি আউড়ে তথ্যান্বেষীকে fasts করে দেব, এ হল কি ধরনের ইতিহাসবোধ, কি ধরনের দেশপ্রেম ? তাই আজ দেখতে হচ্ছে, ব্যারাকপুরে বীর মঙ্গল পাণ্ডের অদ্ভুত আত্মাহুতিকেও দেশ সম্মান দেয় না। শুনতে হচ্ছে- বাহাদুর শাহ আর abla রানী ইংরেজকে তাড়াতে চাননি (যারা এ কথা বলেন তারাই আবার সেই সব মহারথীকে স্বাধীনতার ধ্বজাধারী বলে থাকেন যারা ইংরেজ শাসনকে “বিধির সদয় বিধান' বলে অভ্যর্থনা করেছেন )! স্থভাষচন্দ্র AR যখন বর্মায় বাহাদুর শাহ্‌-এর কবরের পাশে অশ্রবিসর্জন করেছিলেন আর “চলো দিল্লী” আওয়াজ বেছে নিয়েছিলেন তার অভিযানের মন্ত্র হিসাবে, তখন তার মধ্যে ঢের বেশী ইতিহাস-বোধ ছিল আজকের এঁতিহাসিক আর fans মহলের তুলনায় | প্রমোদবাবুর লেখা থেকে অনেক দামী খবর আমরা পাব, আর তার এলাকায় অনধিকার প্রবেশ আমার পক্ষে অনুচিত । তবে একটা কথা না বলে পারছি না। প্রায়ই শোনা যায় যে, বাঙ্গালীরা বিদ্বোহটাকে অপছন্দ করেছিল, আর লেখকরা তো বটেই । কথাটা পুরো মানতে রাজী হতে পারি না। প্রমোদবাবু দেখিয়েছেন যে, ফেব্রুয়ারি মাসে (১৮৫৭) যখন বহরমপুরে সিপাহীদের মধ্যে বিদ্রোহ হয়, তখন মুশিদাবাদের জনসাধারণ হাজারে হাজারে বিদ্রোহে নেতৃত্বের আশায় নবাবের দিকে চেয়ে ছিল, কিন্তু তার মির্জাফরী মুখ থেকে কথা বেরোয়নি। ইংরেজরা যে সেখানে দারুণ একটা কিছু ঘটবার ম্‌তো অবস্থা ছিল জেনে আতঙ্কগ্রস্ত, তা তাদেরই সাক্ষ্যে প্রমাণ করা যায়। বহরমপুরে এবং পরে ব্যারাকপুরে বিদ্রোহের খবর পেয়ে নদীয়া, চব্বিশ পরগনা, বর্ধমান, যশোর, বীকুড়া, বীরভূম ও অন্যান্য জেলায় বাঙ্গালী জনসাধারণ যে চঞ্চল হয়ে উঠেছিল, তার অনেক পরিচয় ইংরেজদের তরফ থেকেই পাওয়া যায়। ব্যারাকপুরে যখন সিপাহীদের “ters কর! হচ্ছিল, তথনই কলকাতা শহরে ইংরেজ আর ফিরিজীদের মধ্যে যে নিদারুণ আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল, লে ঘটনার নিশ্চয়ই একটা



Leave a Comment