সন্ধার জ্যোৎস্না সকালের রোদ [সংস্করণ-১] | Sandhyar Jyotsna Sakaler Rod [Ed. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
উচ্তুনের আচে দিয়ে টোল টোল করে ফুলিয়ে তুলছেন রুটিগুলি। আশায় যেন ফুলে উঠছে তার মন। ভাবছেন মেয়ের মনটিও কি এমনি আশায় ফুলে উঠবে? না উঠেইছে?1শর্মিলা বেলার কাজ এতক্ষণে শেষ করে এনেছিল ৷ সে উঠতে যাবে এমন সময় স্থশোভন এসে বললে-_দিদি তোমার নামের একটা খামের চিঠি আমার পড়ার টেবিলে ছিল, এই নাও |মা বলে উঠলেন-_-এই দেখেছে), একেবারে ভুলে গেছি, চিঠিটা শর্মিলার দেরাজের ওপর না| রেখে ওখানে রেখেছিলুম। ইস্‌অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে স্থশোভনের হাত থেকে থামের চিঠিটা নিলে শমিলা! চলে যায় নিজের ঘরটিতে |RIT রায় বাড়ি এসেই নিজের ঘরে চলে আসে।নিজের ঘর বলতে সামান্য একটা তক্তপোযের ওপর শোবার জন্ত্যে বিছানা পাতা আর জানলার ধারে একটা টেবিল ও চেয়ার, একটা আলমারী; বাস এই জিনিসেই ঘর ভর্তি কোনোক্রম্ে চলাফেরার মতো একফালি খালি মেঝে যার লাল সিমেণ্টটার peal উঠে গিয়েছে জায়গায় জায়গায়। জানলা দিয়ে ঘরে বৃষ্টির ছাট এলে সেই লাল সিমেণ্টের মেঝের HFA ওঠা জায়গাটিতে ক্ষুদে SAC হয়ে থাকে। af রায়ের -আজ ঘরে ঢুকেই পাট] এ চটাখাওয়া খোন্দলের মধ্যে পরতেই যেন তার মনে হল তবে কি প্যস্থলন হল?যাই হোক সে ওসব কথার ধারধারে না। মনের রঙমশাল জ্বালাবার হলে জ্বালাবেই তবে তা নিয়ে রোমদ্বন করতে চায় না। তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নেয়, কোচিং ক্লাসের দিন ate, সে ইংরেজির ক্লাস নেয়। সপ্তাহে তিনদিন যেতে হয়। এর বিনিময়ে যা পাওয়া যায় তাই লাভ। সংসার পাতা হয় নি এখনো, তাই রোজগারটা তার আগে যতটা পারা যায় করে চলে ।অর্থ গুছিয়ে নিতে হবে। এই অর্থনীতির চিন্তাটা zat রায়ের ছাত্রজীবন থেকেই আছে। নিজে পড়াশোনা করেছে সঙ্গে সঙ্গে পাড়ার ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে পড়ানোর ব্যবস্থায় ছিল বরাবরই । যার ফলে রোজগার করাটা অনেকদিনের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে তার।অফিসের কাজের পর আবার কোচিং ক্লাসের শিক্ষকত| তার মেজাজ আর afecw বেশ খাপ থেয়েই গিয়েছে।



Leave a Comment