ত্রিপর্ণা | Triparna

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
--কিছু না। --টাকা সত্যিই চাস? অমিয় মাথা নাড়ে-_না। --দরকার হলে ম্যাক্সিমাম হাজারখানেক নিতে পারিস। ব্যাঙ্কের টাকা নয়, আমার টাকা। --কোনদিন নিয়েছি? সোনাদা চুপ করে থাকে। অমিয় বলে-_তুমি যদি সাপ্লায়ার হতে, কিংবা সুদখোর মহাজন, কি আমার ক্লায়েন্ট, তো নিতাম। তুমি আমার সোনাদা, কিন্তু আমার ব্যবসার কেউ নও। তোমার কাছ থেকে নিলে আমি তোমার আর পাঁচজন আত্মীয়ের মত নীচু হয়ে যাব। -_তার মানে? অমিয় হাসে--আমাদের আত্মীয়দের মধ্যে তুমিই সবচেয়ে সাকসেসফুল। তোমার কাছ ঘেঁষে বছ আত্মীয় ঘোরাফেরা করে, আমি জানি। কিন্তু তুমি জেনে রেখো, আমি তাদের দলে নই। সোনাদা একটু হাসে। — CUA, আমার একটা প্রবলেমের কথা তোমাকে বলব? শুনবে ঠিক? সোনাদা ভ্রু কুঁচকে তাকায়। ছোট্ট একটা AG করে। --আমি প্রায়ই একটা ষ্টীমারঘাটকে দেখতে পাই। সোনাদা নড়ে-চড়ে বসে বলে--কী রকম? --আমি যেন উঁচু বালির চড়ায় বসে আছি। অনেক দূর ote বালিয়াড়ি গড়িয়ে গেছে--আধমাইল-_-একমাইল--তারপর ঘোলা জল--_একটা জেটি- প্রকাণ্ড নদী দিগন্ত পর্যন্ত। কখনো কখনো দেখি, রাতের ষ্টীমারঘাট-- কেবল fay বিন্দু আলো জ্বলে, জেটির গায়ে জলের শব্দ--ওপারে ভীষণ অন্ধকার। কেন দেখি বল তো? সোনাদা তাকিয়ে থাকে। --এ কি মৃত্যুর-প্রতীক নাকি? অমিয় বলে। --ইয়ার্কি হচ্ছে? -_-ইয়ার্কি নয় সোনাদা। কাজ কর্মে, ঘুরতে ফিরতে হঠাৎ হঠাৎ চোখের সামনে এ বালিয়াড়ি, আর বালিয়াড়বির পর জেটি, জল-_এই- সব ভেসে ওঠে। ১৬



Leave a Comment