বাঙ্গলা সাহিত্যের কথা | Bangala Sahityer Katha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
বিষ্যাপতি ১১যেন অসহায়ভাবে এক অস্পষ্ট মোহাবেশের নিকট আত্মসমর্পণ করি। তাহার সবাপেক্ষা স্মরণীয় উক্তি 'স্মরগরল-থণ্ডনং মম শিরসি মণ্ডনং | দেহি পদপল্লব ATIযেন নিজ অপরূপ সংগীত-গুঞ্জনের অন্তরালে পুরাতন আধ্যাত্মিকতা ও নৃতন সৌন্দযপিপাসার মধ্যে এক অমীমাংসিত আদর্শ-সংঘাতকে প্রচ্ছন্ন রাখিয়াছে |জয়দেব রাধাকৃষ্ণপ্রেমকে ধর্মশাস্ত্রের আবেষ্টন হইতে মুক্ত করিয়| ও ইহাকে সাত শত বৎসর হইতে প্রবাহিত সংস্কৃত ও ates ভাষায় রচিত শংগাররসাত্মক কাব্যধারার সহিত সংযুক্ত করিয়। ইহার ভবিষ্যৎ প্রসার ও পরিণতির পথ প্রশস্ত করিয়াছিলেন। জয়দেবে মাধুষস্ষ্টি মুখ্য উদ্দেশ্য; আধ্যাত্মিকতার ব্যগুন। অপেক্ষারুত গৌণ। দারশনিক তত্ব হইতে উদ্ভুত অশরীরী, অলোকিক প্রেমের মধ্যে তিনি প্রাকৃত প্রেমের তীব্র হৃদয়াবেগ ও রসাঙনভূতি সঞ্চার করিয়৷ ইহাকে কাব্য"গুণ-মমৃদ্ধ করিয়া তুলিলেন | ভবিষ্যৎ ANA সমস্ত প্রেমের কবি অতঃপর ইহাকে তাহাদের হৃরদয়াকৃতি প্রকাশের প্রধান উপায়স্বন্ূপ গ্রহণ করিলেন। তাহাদের অস্তর-বিগলিত, সমস্ত রসধারা, তাঁহাদের ws মুখ্য প্রয়াস এই খাতেই প্রবাহিত হইতে আরম্ভ হইল। “aly ছাড়া গীত নাই” এই প্রবাদবাকোেযর Wa আছে প্রধানতঃ জয়দেবের প্রভাব । জয়দেবের দ্বিতীয় অবদান হইতেছে রাধাচরিত্রের এক প্রকার নূতন shoul we তিনিই রাধিকাকে ধর্মশাস্ত্রের ধূসর অনামিকতা হইতে উদ্ধার করিয়। তাহাকে প্রেমিকের হৃদয়াকাশে তীব্র জোযোতির্ময়ী শুকতারা acy প্রতিষ্ঠিত করিয়াছেন । জয়দেবই প্রথম রাধার প্রতি অলংকারশাস্ত্রবণিত শ্রেষ্ঠ নায়িকার করূপ-গুণ আরোপ করিয়া পুর্বরাগ, সম্ভোগ, মান, বিরহ প্রভৃতি নানা ভাবাস্তরের ভিতর তাহাকে অভিব্যক্ত করিয়া, তাহার মধ্যে লোকোত্তর মহিমা ও ললিত মাধুযের সমন্বয় ঘটাইয়া, পুরুষণ্রেষ Sereq সমস্ত কেলি-কৌতুক ও গভীরতর কামনা-সাধনার পাত্রী ও প্রেরণাশক্তিরূপে কল্পনা করিয়৷ তাহাকে কাব্যজগতে ও পাঠকের মনোজগতে আদর্শ প্রেমিকার রত্ববেদীতে বসাইয়াছেন।জয়দেব AH প্রেম আলোচনায় যে শৃংগার-রসপ্রাধান্যের ধার প্রবর্তন করিলেন বিদ্যাপত্তি তাহাকেই নিজ আদর্শ বলিয়া গ্রহণ করিয়াছেন । এই মধুর রমপ্রবাহের মধ্য আধ্যাত্মিকতার Aas SSI Geese হইয়াছে ইহা পূর্বেই



Leave a Comment