শারীরিক শিক্ষা | Sharirik Shiksha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ব্ববর্তনবাদীদের মতে এই ছিল জীব-জগতের প্রকৃতি; অর্থাৎ বীরের মত যে বেঁচে থাকতে পারবে, বাচার অধিকার আছে একমাত্র তারই ; যে পরাভূত হবে, পৃথিবীর প্রতিযোগিতায় তার কোন স্থান নেই। কাজেই, টিকে থাকার ব্যাপারে প্রতিযোগিতাই হবে অপরিহায। হীনবল বা দুর্বলের পক্ষে বেঁচে থাকাটাই যেন মস্ত বড় অপরাধ! ফলে হ'ত কি, জীবন-যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য প্রত্যেককে ব্যায়ামাহুলীলন করতে ws) সভ্যতা বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে aKa যতদিন না গোষ্ঠী বা পরিবারতুক্ত হয়ে একজে বসবাস করতে শেখেনি, ততদিন পর্যন্ত এই মাৎস্ত-স্যায়' নীতিই বলবৎ ছিল ৷ পরে অবস্ত শক্তিশালী গোষ্ঠারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের ওপর প্রভুত্ব বিস্তার করেছে। ফলে ‘ewe’, দল” বা “দেশ” রক্ষার জন্য ব্যায়ামান্- শীলন অপরিহাধ হয়ে উঠেছিল | কাজেই বুঝা যাচ্ছে যে, দেহটাই পারীরিক শিক্ষার প্রধান প্রতিপাষ্ত বিষয়; অর্থাৎ দৈহিক বিকাশই শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য। শরীর-পালনের এই নীতিটা প্রত্যেক মাছের We abi সংস্কৃত শাস্ত্রকারর৷ তাই বলেছেন যে, 'শরীরমাদ্ধযং খলু eater! বেদ ও উপনিষদ্ে শরীর-চর্চার ওপর জোর CHEN! হয়েছে। তাই বেদের মধ্যে বলা হয়েছে-_'শরীরং মে বিবর্ষনম্‌'--অর্থাৎ আমার শরীরকে যেন YS করতে পারি। উপনিষদ্ও শরীর-চর্চার মধ্যে মহত্তর কল্যাণকর আদর্শকে দেখেছেন। তাই আদর্শের কথা উল্লেখপ্রসঙ্গে উপনিষদে বণিত হয়েছে--“অশিষ্ঠো, জ্ড়িঠটো, afach মেধাবী”--অধথাৎ প্রত্যেক মানুষের আদর্শ হবে afb দেহ, স্থতীক্ষ হওয়া চাই তার মেধা, সমগ্র বিশ্বকে শাসন করতে পারে--এমন তেজ সঞ্চয় করা চাই। কাজেই বুঝা যাচ্ছে যে, শরীর-চর্চা মানুষের অবস্তপালনীয় ধর্ম। দেহের সঙ্গে মনকেও সংযত ও নিয়ন্ত্রিত ক'রে তুলতে হবে এবং এটাও শরীর-লাধনার আর একটা দিক । বিবেকানন্দ তাই বলেছেন যে, 'আমি চাই এমন লোক, যাদের শরীরের পেশীসমূহ লোহার মত WP ও স্নায়ু ও



Leave a Comment