ইয়োরোপা | Europa

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
মরিতে চাহি না আমি মরিতে চাহি লন] আমি wera ভুবনে | সকাল থেকে বলে বগে এই কথাটি গা ভাঁবছি। একটি পুরানে! চিঠি সামনে খোলা পড়ে রয়েছে আর একটি চিত্র চোখের সামনে ভাসছে। পাঁচ বছর আগে লেখা বন্ধুর একটি চিঠি, মৈন্যালে যোগ দেবার আগের রাজিতে লেখা চিট, আমন বিরহে বিহ্বল, বীচবার বাসনায় র্যাকুল নববিবা হিতের চিঠি। তার স্ত্রীর দেশ জার্মানর| দখল করেছে, নিজের দেশ চারিদিকে মুখরিত জলপ্লাবনের মধ্যে শেষ গাছটির মত দীড়িয়ে আছে আর তাকে কাল ভোরেই Cramer যোগ দিতে হবে। সে লিখছে আমার চারদিকে পৃথিবী ভেঙে পড়ছে, প্রলয়ের জলকল্লোল কানে এসে বাজছে, নব-পরিণীতাকে পিছনে এক] ফেলে রেখে যাঁওয়| অনন্ত দুখের। তবু তোমার দেশের যে কবির বাণী ভুমি আমায় প্রায়ই বলতে সেটি আমি আমার এই শেষ চিঠিতে তোমায় শুনিয়ে যাচ্ছি-_'ম্রিতে চাহি না আমি way ভুবনে ।” পাঁচ বছর আগেকার নীরব মরণের মিমক্্ণ আজ সকালে আমার কাছে নিবিড় জীবনের waters প্রকাশ করে PE | মরিতে চাহি না আমি। তবুও তো এই ছয় বছরে কত মৃত্যুর ও মৃত্য: চেয়ে বড় ধ্বংসের খেলা ইয়োরোপে অভিনীত হয়েছে। এবং কত ব্যাপক ও গভীরভাবে হয়েছে তাঁর পরিমাণ এখনো কেউ জানে না। আমার যুদ্ধের আগের ইয়োরোপ| আজ সুদূর অতীতের অলীক স্থথস্বপ্নের মত কোথায় হাতছানি দিয়ে লুকিয়ে যাচ্ছে তার ঠিক নেই। স্মৃতির পটে দাগ মিলাতে মিলাতে যুদ্ধক্ষেত্রে, farts শহরে ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছি বিচ্ছেদরষ্টের অন্বেষী মন নিয়ে। কিন্তু কোথায় সে ইয়োরোপ] যার মোহন মাধুরী ও অনন্ত জীবন অস্তরলোকে নৃতন মালোকণাত করেছিল,যার দেওয়া কল্পমামাল] ও আনন্দের ডালা রণক্ষেত্রের শত ধোয়া আর কুয়াশা সত্বেও অমলিন থাকৰে, যাঁর ছোট ছোট ছবি, তুচ্ছ খেয়ালের খেলা, অকারণ আনন্দ ও বিফল বেদনার মুহূর্তগুলি স্বতির আনাচে কানাচে অনস্ত রূপ ধরে বার বার জেগে উঠছে? মিলিয়ে দিতে কি পারবে ইয়োরোপা--১



Leave a Comment