বাঁশের কেল্লা [সংস্করণ-২] | Bansher Kella [Ed. 2]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
প্রাচীরে কতকগুলো যে গোড়ার বাশ পৌোতা ছিল, তাই থেকে নূতন নুতন বাশ জন্মেছে শতাক্দীকাল ধরে। কসাড় বাশবন এখন এই জায়গায়। ঠাকুরের অসমাপ্ত মন্দিরের কিন্তু এতটুকু চিহ্ন নেই বাশবনে অথবা গ্রামের অন্য কোথাও। নাটার ঝোপে আচ্ছন্ন ইটের স্ত,প-_মন্দির নয়, সাছেব- পাড়া & সামনে--নীলকুঠির ফটক ছিল ওটা। কদিনের বা ব্যাপার. আমার ঠাকুরমা নৃতন বউ হয়ে এলেন, তখন caf সাহেবের দাপটে ইতর- SF ASIA তটস্থ। তারপর কোথা দিয়ে কি হয়ে গেল। হেলি বলে নয়, সব সাহেবকে ক্রমশ বিদায় নিতে হয়েছে জাহাজ ভাসিয়ে । নীলকর সাহেবদের উড়িয়ে দেবার উপায় নেই, কিন্তু বাশের কেল্লার কথায় প্রবীণজনেরা ঘাড় নেড়ে বলেন, গাীজাথুরি গল্প--এই কি হতে পারে, কোম্পানির বিরুদ্ধে বাশ আর ইটের RINT লড়াই? সামান্ত একটু গ্রাম্য ঘটনা লোকের মুখে মুখে এই রকমটা দাড়িয়ে গেছে। আচ্ছা নিশিকান্ত, রামজয় ঠাকুরের কথা এতঃ কি অবিশ্বাস্য পরবর্তী ঘটনাগুলোর তুলনায় ? জয়রামগুরের এক এক ফোটা! ছেলে--আমাদের কানু-বাহ্্ অবধি কি তাজ্জব দেখিয়ে গেল! পুরানো কাহিনী আমিও হয়তো বিশ্বাস করতাম না পরবর্তী ব্যাপারগুলো স্বচক্ষে না দেখলে। প্রবীণেরা যা-ই বলুন, ঠাকুরমার মুখে শোনা প্রতিটি কথা আমার শিশ্ড- মনে গেঁথে গিয়েছিল। রামজয় ঠাকুরের মন্দিরের ইট রয়েছে সিশ্ট বাণবনে কোনখানে চাপা পড়ে, সেই সব মড়ার হাড়-পাজরা ধুলো হয়ে বাতাসে উড়ে মিশে আছে মাটির সঙ্গে । অহরহ বাশবনে কটর-কট আওয়াজ ওঠে--ছেলেবেলা আমার মনে হত, WAT ঠাকুরের' রক্তার্ত সেই শিষ্য-প্রশিত্যেরা বাশের আগায় আগায় পা ফেলে শূন্ঠ মার্গে চলাচল করছেন। 4



Leave a Comment