মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন ও সাহিত্য | Manick Bandhopadhayer Jiban O Sahitya

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
জীবন ও সাহিত!ককতি ‘ কিন্তু লিখেছেন, হাটতে শিখেই ৫) অতি চঞ্চল দামাল ছেলেটি এসে মা-র অবর্তমানে মনের আনন্দে কাত-করা Ia বাটের ওপর দাড়িয়ে খলখলিয়ে হাসে আর নাচে। মুহূর্তে ঘটে গেল অঘটন ! GP যেমন সোজা হয়ে উঠল, শপিশুটিও সোজা! আছাড় থেয়ে পড়ল তার বুকে | তারপর ? তারপর শিশুর পেটখানা নাভির এপাশ থেকে ওপাশ পর্যন্ত কেটে দ্যখানা,নাড়িভুঁড়ি প্রায় দেখা যায়। মা MH MSR হয়ে atm ফেলে এসেই চীৎকার s কি সর্বনাশ হল রে,-_মানিকের পেট কেটে Betta | পাশের ঘরে বিদেশাগত ক্লেজের ছাত্র CHM পাঠে মগ্ন--মায়ের চীতৎকারে বাইরে এসে এ দৃপ্ত দেখে হতভম্ব। few মুহূর্তে কর্তব্য স্থির করে ছুঃহাতের তালুর উপরে তাকে নিয়ে একছুট ছুমকার ছোট ছহাসপাতালটিতে। Sey ডাক্তারবাবুকে পাওয়া! গেল । তিনি তড়িতবেগে পেটটি দিলেন সেলাই করে। ওষুধপত্রের ব্যবস্থা! করে দেবার পর দম নিয়ে বললেন--এক চুলের SY TH পেল ছেলেটি । কাটল এক নিদারুণ ফাঁড়া। কান্নাকাটি অথবা ভয় ডর ছিল না তার ধাতে ।-..হাসপাতালের ডাক্তার পঁচিশটি ‘foe? দিয়ে পেট জুড়ে দিলেন, তখনও সে কাদেনি একফোটা! ডাক্তারবাবু অবাক হয়ে বলেন--এ অদ্ভুত ছেলে ! AY ছেলে হলে চাঁৎকার করে পাড়া মাৎ করে দিত ৬ এই দুরস্তপন| সম্পর্কে মানিক পরবর্তাকালে নিজেই লিখেছেন," “এমনি আরও অনেক ছদুরস্তপনার foes সর্বাচ্গে চিরস্থায়ী হয়ে আছে। শোনা যায়, আমার নাকি একটা Ces স্বভাব ছিল, দারুণ ব্যথা পেলেও কিছুতে কাদতাম না। সুর করে (কালোয়াতি নয়) গান (আবোল তাবোল) ধরতাম, ব্যথা বাড়লে সুর চড়ত আর দ্বচোখ দিয়ে জল পড়ত ধারা-স্রোতে। মারে বাপ-রে বলে, হাউ মাউ করে, শুধু চেঁচিয়ে, ভ্য৷ করে প্রভৃতি যে নানা পদ্ধতি আছে সাধারণ কারার, তার একটাও আমি শিখিনি। এদিকে আবার যখন-তখন আপন মনে মিজ্ধের খাপছাড়া সরে যে-কোন কথ] বা শব্ধ নিয়ে গানও আমি গাইতাম- সব সময় তাই বোঝা কঠিন ছিল আমি কাদছি ন| গাইছি। একদিন দুপুরে মা ও বড়দি বারান্দায় খেতে বসে শুনছেন রান্নাঘরে আমি গান ধরেছি। খানিক পরে সুরটা কেমন কেমন ঠেকায় আর পোড়া মাংসের TH পাওয়ায় তারা৷ উঠে এসে দেখেন e | আমার stat (ছোটদের শ্রেষ্ঠ গল্প )। ৬। BH করি। ৭ । আমার FF |



Leave a Comment