মহাস্থবির জাতক [পর্ব-৪] [সংস্করণ-১] | Mahasthabir Jatak [Pt. 4] [Ed. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
৫ মহাস্থবির জাতক বললুম--খবরদার, এ-কথা যদি আর কেউ জানতে পারে তো এই থেলো STAI তোমার মাথায় Stes | কালী প্রতিশ্রুতি দিলে যে অন্তত আমরা যাবার আগে পর্যন্ত এ-কথা সে গোপনে রাখবে। তখন থেকে কালীর সামনেই আমাদের পরামর্শ ও আলোচন) চলতে লাগল। সে-সময় কালীর গ্রহচক্র নিশ্চয় খুবই খারাপ ছিল। একদিন সে বললে--ভাই, আমাকেও এবার তোদের দলে নে। -_তথাস্ত ! শুভ দিনক্ষণ দেখে একদিন তিন বন্ধু মিলে আবার ছুর্তাগ্যের বুকে ঝাপিয়ে পড়া গেল-_এবারকার লক্ষ্যস্থল CARS শহর। তাঁতের ইস্কুল শুধু যে বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদেরই গোষ্লায় যাবার পথ পরিষ্কার করেছিল তা নয়, বাংলার বাইরের অনেক প্রদেশের অনেক বাঙালী ছেলেও এইসব তাঁত-ইস্কুলে কাজ শিখতে এসেছিল । এদের মধ্যে এলাহাবাদের দু'টি ছেলের সঙ্গে আমাদের পরিতোষের খুব ভাব হয়েছিল এবং তাদের সঙ্গে ওর পত্র-বিনিময়ও চলত। ঠিক ছিল cars যাবার মুখে এদের ওখানে আমরা দিনকতক কাটিয়ে যাব। যথাসময়ে এলাহাবাদে বন্ধুদের ওখানে গিয়ে তো ওঠা ,গেল। তারা খুবই থাতির-যত্ব করলে। বন্ধুদের বাড়ি ছিল সেখানকার এক বিখ্যাত বাঙালী- পাড়ায়। সারা দুপুর ঘুমিয়ে বিকেলে ফুটবল খেলতে যাওয়া গেল। সঙ্গ্যেবেলা অনেকে মিলে বেশ'জমাট আড্ডা দেওয়া গেল | গান-টানও বাদ গেল না। সক্লের অনুরোধে স্থির করা গেল যে আমরা সেখানে অন্তত সপ্তাহইখানেক থেকে যাব। বোধহয় দিন-তিনেক কাটবার পর একদিন রাত্রে বন্ধুদের বাড়িতে বসে SCAN হচ্ছে এমন সময় জন-দুয়েক ভদ্রলোক এসে আমাদের বন্ধু অর্থাৎ আমরা যার বাড়িতে অতিথি ছিলুম তাকে ডেকে একটু দূরে নিয়ে গিয়ে কি-সব বলতে লাগল। দেখলুম তার] কথা বলতে বলতে মাঝে মাঝে আমাদের দিকে তাকাতে লাগল। কিছুক্ষণ বাদে বন্ধুবর এগিয়ে এসে আমাকে বললে-_-একবার এদের সঙ্গে যাও তো! জিজ্ঞাসা করলুম--কোথায় ? --এই একটু এঁদের বাড়ি। --কেন ? এরই মধ্যে একজন প্রিয়দর্শন যুবক এগিয়ে এসে আমাকে বললেন--এই একটু আমাদের বাড়ি-_বেশী দূরে নয়, এই এখানেই ।



Leave a Comment