রবীন্দ্র চর্চা | Rabindra Charcha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
SAR হবে, তখন রবীন্দ্রনাথের প্রতিভার দীপ্তিতেই ভাবী কাল আমাদের কালকে জানবে। আমাদের স্থথ-্ঘুঃখ, নিরাশা আনন্দ তাদের চিত্তকে স্পর্শ করবে তারই কাব্য থেকে । আমাদের সম্বন্ধে তাদের গুৎস্থক্য হবে জানতে, আমরা কি ভাবে রবীন্দ্রনাথকে গ্রহণ করেছিলাম, আমাদের উপর রবীন্দ্রনাথের প্রভাব কতটা ব্যাপক ও গভীর ছিল আমাদের জীবনের wis রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকে কতটা প্রভাবাশ্বিত করেছে! তার কাব্য ও সাহিত্যে আমাদের একাল অমর হয়ে থাকল | সব কালের ভাগ্যে এ সৌভাগ্য ঘটে না ।“ভবিষ্যৎ কালের লোক মানয-রবীন্দ্রনাথকে জানবে ইতিহাসের aya পৃষ্ঠায়, কিন্তু কবি-রবীন্দ্রনাথের অস্তরতম স্পর্শ তারা পাবে তার কাব্যে, যেমন আমরা পেয়েছি। আজ হতে বহু শত বর্ষ পরে তাদের বসম্ত দিনও রবীন্দ্রনাথের বসস্ত-গানে ধ্বনিত হবে, তাদের আযষাঢ়ের সজল মেঘের উপর তার বর্ধা-কাব্যের নীল অঞ্জন নেমে আসবে। প্রেয়সী নারীর নয়ন অধর তার কাব্যের মধুতে মধুময় হবে। রবীন্দ্রনাথের কাব্যে তারা নিরাশায় উৎসাহ, শোকে ater পাবে। cas অনাগত কালের সমসময়ীদের আমাদের অভিবাদন জানাচ্ছি। রবীন্দ্রনাথের কাব্য-পাঠে তাদের আনন্দই এর প্রত্যভিবাদন ।“কিন্তু মহাকবির কাব্য চিরকালের হলেও বিশেষ করে তাঁর সমসাময়িকদের । যে চিরস্তন নর-নারীর হৃদয়-স্পন্দন তার কাব্যে রূপ পায়, তাঁর সমকালের নর-নারীর হৃদয় তার উপকরণ ৷ সেই বিশেষের মধ্যে বিশ্বমানব নিজেকে প্রতিফলিত দেখে । আর কবির সমকালিকের৷ Sta কাব্যে নিজেদেরই পায় এমন পুর্ণ ও নিবিড় করে, যা ভিন্ন কালের মানুষের সম্ভব নয়। আমরা যারা আকৈশোর দিমের পর দিন রবীন্দ্রনাথের নূতন কাব্য পড়েছি, যার অদ্ভুত বৈচিত্র্য আমাদের মনের সামনে গড়ে উঠেছে ও আমাদের মনকে গড়েছে--চিরকালের রবীন্দ্রনাথ বিশেষ করে আমাদের। বাংলার উদার আকাশ ও অবারিত মাঠে আমাদের চিত্তের প্রসার এসেছে তার কাব্য থেকে । GA বালুচরের নীচে পদ্মার কালো জল তার কাব্যের কথাই আমাদের কানে কানে বলে । ভোরের প্রথম আলোতে তার কাব্যের মোহ, গোধূলির রক্তরাগে তারই কাব্যের রং। বাংলার নর-নারী আমাদের অন্তরতর তার কাব্যের বন্ধনে। সকল যুগের লোকের এ4



Leave a Comment