ন্যায়দর্শন ও বাৎস্যায়ন [খণ্ড-২] | Nayadarshan Batsyayan Bhashya [Vol. 2]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ন্যায়দর্শনSots Stayদ্বিতীয় অধ্যায়তাষ্য। *অত Vee প্রমাণাদি-পরীক্ষা, সা চ “fapy পক্ষপ্রতি- পক্ষাভ্যামর্থাবধারণং নির্ণয়” orca বিমর্শ এব পরীক্ষ্যতে।অমুবাদ। ইহার পরে অর্থাৎ প্রমাণাদি ষোড়শ পদার্থের উদ্দেশ ও লক্ষণের পরে ( যথাক্রমে ) প্রমাণাদি পদার্থের পরীক্ষ৷ ( কর্তব্য ), সেই পরীক্ষা কিন্তু “সংশয় করিয়া পক্ষ ও প্রতিপক্ষের atal পদার্থের অবধারণরূপ faa”, এজন্য প্রথমে ( মহধি গোতম ) সংশয়কেই পরীক্ষা! করিতেছেন।বিবৃতি । মহযি গোতম এই স্যায়দর্শনের প্রথম অধ্যায়ে প্রমাণাদি যোড়শ পদার্থের উদ্দেশ (নামেরেখ ) করিয়া যথাক্রমে তাহাদিগের লক্ষণ বলিয়াছেন। যে পদার্গের যেরূপ লক্ষণ বলিয়াছেন, তদনগপারে 2 পদার্ণ বিষয়ে যে সকল সংশয় ও BRAS হইতে পারে, স্যায়ের দ্বারা, বিচারের দ্বারা তাহা নিরাস করিতে হইবে, পর-মত নিরাকরণ ote নিজ-মত সংস্থাপন করিতে হইবে, এইরূপে নিজ সিদ্ধান্ত নির্ণয়ই “পরীক্ষা” । Tee গোতম এই দ্বিতীর অধ্যায় হইতে সেই পরীক্ষা আরম্ভ করিয়াছেন। সর্বাগ্রে প্রমাণ পদার্থের উদ্দেশ পূর্বক লক্ষণ বলিয়াছেন, Toate সেই wae পরীক্ষা করিলে সর্বাগ্রে প্রমাণেরই পরীক্ষা করিতে হয়, কিন্তু সংশয় পরীক্ষা-মাত্েরই অঙ্গ, সংশয় ব্যতীত কোন পরীক্ষাই সম্ভব হয় না, এ জন্য মহষি সর্বাগ্রে সংশয়েরই পরীক্ষা করিয়াছেন |Beat) যে ত্রমে প্রমাণাদি পদার্গের উদ্দেশ ও লক্ষণ করা হইয়াছে, সেই ক্রমেই তাহাদিগের পরীক্ষ। কর্তব্য। তাহা! হইলে পরীক্ষারস্তে সর্বাগ্রে প্রমাণ পদার্থেরই পরীক্ষা করিতে হয়; কিন্তু মহধি সেই প্রমাণ পদার্থকে ছাড়িয়৷ এবং প্রমেয় পদার্থকেও ছাড়িয়া সর্বাগ্রে তৃতীয় পদার্থ সংশয়ের পরীক্ষা কেন করিয়াছেন ? Tele লক্ষণ-প্রকরণে উদ্দেশের ক্রমানুসারে লক্ষণ বলিলেন, কিন্ত



Leave a Comment