অরণ্যপথ | Aranyapath

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
মশগুল ৷ মাইকে দেখে কুজন-গুঞ্জন থামিয়ে তারা অবাক চক্ষে চেয়ে থাকে | এরাই বোধ হয় নিষ্পাপ ।wig ছিলেন আমাদের AGIA! পরীক্ষায় দেখা গেছে বন্দুক হাতে দিলে তার সর্বাঙ্গে পৌরুষ ছাপিয়ে ওঠে । বাঙ্গালী যুদ্ধপ্রিয় না হাতে পারে কিন্তু যোদ্ধা fesse । আমাদের সামাজিক জীবনে অন্ত্রের ঝনৎকার নেই, হিংসার স্থান নেই,-_ তার কারণ এমন নয় যে আমরা অকর্মণ্য ; কারণটা এই, আমর দৈহিক শক্তির চেয়ে আত্মিক শক্তিকে বড় স্থান দিয়ে এসেছি। ভারতবর্ধের মধ্যে বহু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বহু সম্প্রদায়ের মনোমালিন্য দেখা! যায়, কিন্তু বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া বাঙালীর Ac Gta কোনো সম্প্রদায়ের বিবাদ নেই ৷ বাঙালী কখনও আত্মগুতিষ্ঠা ও স্বার্থবাঁদের Gy অস্ত্র ধরে না, হানা- হানি করে না- তারা জানে আত্পপ্রতিষ্ঠা হয় যোগ্যতার দ্বারা, সেবার দ্বার, জ্ঞান ও চিত্তাশীলতার ছ্বারা,_ দৈহিক শক্তির দ্বারা নয়! বাঙালা দেশেই ভারতবর্ষের সকল প্রদেশের মানুষ অবারিত আশ্রয় পায়। তবু বাঙালী যখন AR ধরে, তখন বুঝতে হবে দেশে ধর্মের গ্লানি দেখা দিয়েছে, অধামিক ও ছদুগ্ধৃতকে বিনাশ না করলে স্থষ্টি রসাতলে যাবে! বাঙালী তখন Vy aca |আমাদের সঙ্গী কিন্কুর শ্যামলাল ব'লে উঠলে, বাবু, কবুত্র্‌-তেওয়ারী তৎক্ষণাৎ গাড়ী থামালো। দাদু বন্দুকে কাতুজি ভরে নিলেন | দিগন্তে সোনার রৌদ্রের মধ্যে একদল NRA তখন চক্রাকারে ঘুরছে । আমরা সকলে প্রস্তুত হয়ে গাড়ী থেকে নামলাম। এটা শত্রু বিনাশের আয়োজন নয়-_নিরপরাধকে হত্যা ক'রে লক্ষ্য ভেদের অনুশীলন মাত্র |হাতে আয়না থাকলে দেখতাম, হিংসার আনন্দ আমাদের মুখচোখে | শূৃদ্লোকে উড়ডীয়মান পাখীর বুকের ক্ষীণ স্পন্দনটুকুর প্রতিই আমাদের একাগ্র লক্ষ্য। উন্মত্ত আমরা হত্যার পিপামায়। মনে হোলে পক্ষীসমাজ স্তম্ভিত হয়ে আমাদের 'বীরত্ব' লক্ষ্য করছে। পায়রাগুলি ঘুরতে ঘুরতে এক মাঠে নেমে CDA দানা ACH খেতে লাগলো । আকাশের নীলের আভাস তাদের পাখায়, চোখে অরণ্যের রহস্যময় ভাষা, প্রাণবেগে চঞ্চল, সুন্দর | বন্দুক হাতে নিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করে দাদু ধীরে ধীরে গোপনে অগ্রসর হ'তে লাগলেন।১২



Leave a Comment