নীলকণ্ঠ [খণ্ড-২] | Nilkantha [Vol. 2]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
mr( oe ১ae =e পাস ~aeগোলাইজীর অত্যন্তুত ক্রম-পরাক্রমশীল লীলার বিলাসই পরিলক্ষিত ey) তাহার সাধনার বিভিন্ন স্তরে এবং পরিশেষে তাহার সিদ্ধ স্বরূপেও সর্ববজীবের প্রতি গোসাইজীর সংবেদনেরই পরিপুর্তি প্রচ্জানময় প্রদ্দীপ্তি লাভ করিয়াছে। এই হিসাবে তিনি স্বরূপধর্শ্মে ্রীমন্মহাপ্রভুর প্রেমাবতার গোসাইজীর লীলা-পরিকর রূপে নিত্যসিদ্ধ। ভাগবত রলেন-_ধিনি ভূতভাবন, সকলের প্রতি তাহার আত্মভাবই সিদ্ধ স্বরূপে জগতে ব্যক্ত SFM থাকে । শ্রীভগবানের এই ব্যক্ততাব বলিতে সমাত্ম-সম্বন্ধে পতিত, SAS জীবের উজ্জীবনে তাহার পৌরুষই বুঝায় | প্রকৃত প্রস্তাবে সিদ্ধরপে Shae কুলদানন্দের প্রজ্ঞানময় অবদানে গোসাইজীর সর্ববাত্মভাবের পরিপুত্তি নিত্যত্বে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে |নিজ লাভের পূর্ণতায় উদ্দীপিত পৌরুষ-স্থত্রেই জীব ও ভগবানের মধ্যে পারস্পরিক Arad উদ্দীপন ঘটে । Aer এক্ষেত্রে মাধ্যমরূপে কাজ করেন। তিনি জীব এবং ভগবান উভয়েরই নিজতত্ত্ব ৷ প্রত্যুত ব্রহ্মচারিজীর Ayres অবলম্বন না করিলে গোসাইজীকে বুঝিবার উপায় নাই। ব্রম্মচারিজীকে নিজ করিয়াই গোসাইজীর প্রেমলীল৷ আমাদের উপলব্ধির পক্ষে পৌরুষধর্মে ate ats করে। aye কুলদানন্দজীর সিদ্ধ স্বরপের নিগুঢ় রহস্য এইখানে নিহিত রহিয়াছে | ব্রম্মচারিজীকে নিমিত্ত স্বরূপে অবলম্বন করিয়াই সর্ববজীবের প্রতি সংবেদন উদ্দীপিত করিবার চাতুর্্যে গোসাইজী আত্মমাধুর্্য বিস্তার করিয়াছেন। সেই বিস্তারের স্থত্রে জীবের waits নিরাক্ৃত করিয়া অব্যবহিত আত্মভাবেব ঘণনিষ্ঠতায় ত্রম্মচারিজীকে আমরা সিদ্ধ স্বরূপে লাভ করিয়াছি । শক্তি এবং শক্তিমানের এখানে অভেদত্ব। নামী, নাম এবং নামদাতা অদ্বয়, চিম্ময়, অখঞ্ডৈক রসের অমুৃতময় কলেবরে আমাদের কাছে এখানে প্রকটিত। বাঁচকের fae বীর্যের মাধুধ্যে Bia বাচ্য এখানে নীরব । বিশ্ব এবং বিশ্বাতীত সর্ববতোময় ape ভাবে প্রণবের এখানে প্রভাব । কলিহত আমাদের পাপভারের বেদনা! রহন করিয়া ত্রম্মচারিজী কলিপারন দেবতার অযাচিত করুণার প্রতি আমাদের Ye aise করিয়াছিলেন, দেবতা! তাঁহার ব্যক্তিত বি্লিপ্ত করিয়া! দিয়া আত্মমহ্িমায় আমাদের কাছে ব্যক্ত হইলেন। সংগুরুর লমাশ্রয়তত্বে শিয়্যের সাধনাঙ্গের নিজ ভাবটি বিশ্ববীজে মগ্ন হইল |



Leave a Comment