মোহিতলালের পত্রগুচ্ছ | Mohitlaler Patraguccha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
[ ১৮ J]দেওয়া হয়েছে তবে কয়েকটি পত্রে সংখ্যা উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছিল, যা পরে আর বাদ দেওয়া যায় নি। এগুলি ছাড়াও আরও কিছু কিছু ভুল রয়ে গেল সেগুলি মারাত্মক নয়। নিবেদন শেষ করার আগে আর একটি কথা বলব। পীড়| দিতে দুঃখ পাই তবু তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই কথাটা বলতে হবে। বলা Tem বর্তমান খণ্ডে ংকলিত পত্রগুচ্ছই (পত্র সংখ্যা! ১৯৩) মোহিতলালের চিঠিপত্রের শেষ নয় সারাজীবনে তিনি যত চিঠি লিখেছেন তার অর্ধেকও এগুলি নয়। এ-খণ্ডে অনুপস্থিত এমন অনেক পত্র-প্রাপক আছেন যাদের নাম আপনাদের মনে পড়বে, তাদের অভাবে আপনারা হয়ত কাতর অতৃপ্তি বোধ করবেন : কিন্তু এমন অনেক অপরিচিত আছেন যাদের কাছে চিঠি থাকতে পারে, তাদের দেখা পেয়ে বিস্মিত হবেন । আপাতদচৃষ্টিতে আপনারা! যাঁদের নাম করবেন তাঁদের নাম আমি জানি, তাদের কাছে মোহিতলালের অনেক মূল্যবান চিঠিও আঁছে। কেন জানি না যোগাযোগ করলেও চিঠি দিতে Stal কুষঠিত। যাদের কাছে চিঠি পাবার awit ছিল বেশী তারাই বিমুখ করেছেন সবচেয়ে CAM! যাই হোক মোহিতলালের চিঠি যদি কারে কাছে থাকে তিনি যেন agate করে প্রতিলিপি প্রকাশকের ঠিকানার অবধায়কে আমাকে পাঠান । সংখ্যায় বেশী হলে খণ্ডে খণ্ডে প্রকাশ করা হবে। মোহিতলাল সারাঞজীবনে যত চিঠি লিখেছিলেন, সম্পূর্ণনা হোক তার অর্ধে$ও যদি বিলুপ্ত হবার আগেই লোকসমক্ষে আন! যাঁয় তাহলে সে-টি বাংলাসাহিত্যে শুধু অমূল্য সম্পদ হিসেবেই পরিগণিত হবে না, যাঁদের চিঠি তিনি লিখেছিলেন তাঁদের প্রতিও বাংলাসাহিতো্যের পাঠকের কৃতজ্ঞতা অসীমে গিয়ে পৌঁছবে |মারবাঞজার, মেদিনীপুর আজহারউদ্দীন খানআশ্বিন ১৩৭৬। অক্টোবর ১৯৬৯



Leave a Comment